সেক্স পার্টি মানেই যুবকদের একটা জ্বলন্ত উৎসব – বন্ধুদের সাথে হাসি-ঠাট্টা, মদের গ্লাস ঠোকাঠুকি আর সেক্স চ্যাটের অন্য সবাইকে নিয়ে ওয়েবক্যামে খোলামেলা মজা। এখান থেকে যেকোনো কিছু হয়ে যেতে পারে – হালকা ফ্লার্ট থেকে শুরু করে পুরোদস্তুর অর্গি, যেখানে শেষটা কী হবে কেউই জানে না।
কালকের স্ট্রিমটা অবশ্য শুরুতে খুব একটা দ্রুতগতির ছিল না। ফোকাস পড়েছিল মাত্র পাঁচজনের ছোট্ট দলে। একটা স্লিম, লম্বা কালো চুলের ব্রুনেট – আমাদের "লাইভ ব্রুনেট ক্যাম" ক্যাটাগরির রেগুলার মুখ – আর তার সাথে চারটা লম্বা-চওড়া ছেলে, যারা শুরুতে বুঝতেই পারেনি আজ রাতটা কোন দিকে যাবে। আজকে আমরা পুরো ঘটনাটা রঙিন করে, একটু বাড়িয়ে-চড়িয়ে, একটু মশলা দিয়ে বলব।
মদ আর সেক্স শুরু থেকেই অর্গির ডাক দিয়েছে!
ছেলেগুলো জড়ো হয়েছে একটা অদ্ভুত পরিবেশে – মেঝেতে নতুন কার্পেট, চারপাশে চিপসের প্যাকেট আর বিয়ারের বোতল। কথা হচ্ছে, হাসি হচ্ছে, চ্যাটে টাইপ করা হচ্ছে, আর মদ গিলছে একের পর এক। সবচেয়ে মজার ব্যাপার – চারটা ছেলে, একটা মাত্র মেয়ে। সেক্স না হোক, অন্তত কথা বলা, ছোঁয়াছুঁয়ি, মজা – সবকিছুর জন্য তো একজনই যথেষ্ট। মদের নেশা চড়তে চড়তে ছেলেরা আর থাকতে পারছে না। আলিঙ্গন শুরু, গালে-গলায় চুমু, হাত চলে যাচ্ছে সবচেয়ে লুকানো জায়গায়। মেয়েটাও হাসছে, প্রতিবাদ করছে না – বরং চোখে একটা দুষ্টু চমক।
চ্যাটের লোকেরা তো বুঝেই গেছে – এটা আর ফিরবে না। সেই কালো চুলের সুন্দরী, বড় বড় সাইজের স্তন নিয়ে, যেন নিজেই বলছে – “আয়, আরও জোরে চোদ!”। প্রিলিউড খুব বেশি লম্বা হয়নি। মিনিট কয়েকের মধ্যেই মেয়েটা হাঁটু গেড়ে বসেছে কার্পেটে। এক-এক করে প্যান্ট খুলছে, মুখে নিচ্ছে একটা করে ডিক – বাঁ-দিক, ডান-দিক, আবার বাঁ-দিক। চ্যাটে কী লিখছে কেউ দেখার সময় নেই। মাতাল ছেলেদের ওরাল দিয়ে ফিনিশ করানো তো সোজা কথা না – তাই সে দয়া করে সব হোল খুলে দিল। পেছন, সামন, মুখ – সবকিছু রেডি।
ডাবল পেনিট্রেশন সহ লাইভ সেক্স অনলাইন
ফ্রি চ্যাটে ডাবল পেনিট্রেশন আর একই সাথে মুখে চোষা – এই কম্বোটা কাজ করে দিল। টোকেন আসতে লাগল ঝমঝম করে, কমেন্টে আগুন জ্বলছে – “হার্ডার!”, “আরও গভীরে!”, “গড্ড্যাম!”। ছেলেরা একে অপরকে বদলাচ্ছে, একজন পেছন থেকে ঢুকছে, আরেকজন সামনে, তৃতীয়জন মুখে দিচ্ছে। মাঝে মাঝে বিয়ারের গ্লাসে ঢালছে, গিলছে, আবার শুরু।
কিন্তু সত্যি কথা – একই মেয়েকে এতক্ষণ চোদতে চোদতে ছেলেরাও ক্লান্ত। তবু তারা শেষ করল – ওয়েবক্যামের সামনে দাঁড়িয়ে, একে একে ফিনিশ। সেমেন ছিটকে গেল ঘরের এদিক-ওদিক। মেয়েটা যতটা পারল চেটে নিল, কিন্তু সেও তো হাঁপাচ্ছে। শোটা শেষ হলো ইরোটিক, একটু হাসির, একটু পাগলামির মিশেলে। আশা করি পরের বার আরও বেশি ছেলে আসবে, আরও বড় অর্গি হবে।
ভাই, কল্পনা কর একবার – একটা মেয়ে, চারটা ছেলে, মদের নেশা, আর চ্যাটে হাজারো লোক হাত মারছে। এটা কোনো সাধারণ পার্টি না, এটা যেন একটা যৌনতার ঝড়। বাংলাদেশ বা কলকাতার কোনো গোপন ছাদের পার্টির মতো, কিন্তু লাইভ সবাই দেখছে। মেয়েটার সেই বড় সাইজের বুক, কালো চুল ছড়ানো, আর ছেলেরা যেন পাগল হয়ে গেছে। একজন ঢুকছে, আরেকজন বেরোচ্ছে – মাঝখানে সে হাসছে, চিৎকার করছে, চোষছে। টোকেন পড়ছে বৃষ্টির মতো।
আর মজার ব্যাপার কী জানিস? মাঝে মাঝে ছেলেরা টলতে টলতে পড়ে যাচ্ছে, আবার উঠছে। একবার একজন বলে উঠল – “আরে ভাই, তোরটা আমার থেকে বড় কেন?” সবাই হেসে গড়াগড়ি। কিন্তু ডাবল পেনিট্রেশনের সেই মুহূর্ত? ওফফ… মেয়েটা মাঝে, দুজন একসাথে ঢুকছে, আর বাকিরা চারপাশে দাঁড়িয়ে। যেন কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড ক্লাবের সিক্রেট রুম। গ্রুপ সেক্সের আসল মজা এখানেই – কে কার সাথে, কতক্ষণ, কোন ছিদ্র – কিছুই ঠিক নেই, শুধু আগুন আর আগুন।
শেষের দিকটা: ক্লান্তি কিন্তু পুরো সন্তুষ্টি
সবাই যখন শেষ করল, ঘরে সেমেন ছড়ানো, মেয়েটা হাঁপাচ্ছে, ছেলেরা মেঝেতে বসে পড়েছে। তবু তার চোখে সেই চমক – “আরেকটা রাউন্ড?” চ্যাটে কমেন্ট উড়ছে – “বস, তুমি লিজেন্ড!”, “আরও চাই!”। ছেলেরা বিয়ারের বোতল তুলে টোস্ট করছে। এমন একটা রাতের পর কে না চাইবে আরেকটা? আমাদের দেশের ছেলেরা দেখলে বলবে – “এটা তো আমাদের এলাকায় হলে কী হতো!” হাহাহা।
এই গ্রুপ সেক্স, লাইভ অর্গি, ওয়েবক্যাম শো – এগুলো কেন এত টানে? কারণ এতে সবকিছু খোলা। কোনো লুকোচুরি নেই। মেয়েটা নিয়ন্ত্রণে, তবু সে সবাইকে দিচ্ছে। ছেলেরা পাগল, কিন্তু তারাও তার কাছে হার মানছে। আর দর্শক? তারা তো শুধু দেখছে না – তারাও অংশ নিচ্ছে টোকেন দিয়ে, কমেন্ট দিয়ে, হাত মেরে। এটা একটা অদ্ভুত কমিউনিটি।
শেষ কথা – এমন শো দেখলে আসক্ত হয়ে যাবি। সাবধান। পরের স্ট্রিমে হয়তো আরও বড় অর্গি, আরও ছেলে, আরও মেয়ে। তুই কী বলিস – যাবি নাকি?