মেরিলাভলি তার জন্মদিনটা অ্যাডাল্ট এরোটিক স্ট্রিমেই উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিল। তার XXX বছর পূর্তিতে মেয়েটা তার কোণটা রঙিন বেলুন দিয়ে সাজিয়ে ফেলল। সুন্দর উৎসবের ড্রেস পরল, মাথায় মজার ক্যাপ। জন্মদিনের রীতি অনুযায়ী কেক বের করে আনল, চোখ বন্ধ করে ইচ্ছে করল আর দর্শকদের সামনেই মোমবাতি নিভিয়ে দিল।
তারপর শুরু হলো আসল মজা। মেরিলাভলি এক নিশ্বাসে একটা বোতল চ্যাম্পেন শেষ করে ফেলল। প্রশ্ন উঠল – ক্যামেরার সামনে পার্টি চালিয়ে যাবে কি না? তার লয়াল দর্শকদের অনুরোধে মেয়েটা আরেকটা বোতল খুলল, ফ্যানদের সাথে গল্প করতে করতে মাতাল হয়ে গেল।
এসব দেখে বোঝা যায় – আজকাল মানুষ ইন্টারনেটকে আগের চেয়ে অনেক বেশি ভরসা করে। অনেকে বন্ডেজ ভিডিও চ্যাট শুধু সেক্স আর মজার জন্য ব্যবহার করে না। এখানে ছুটির দিন কাটায়, ফ্রি টাইম ফ্যানদের সাথে এনজয় করে।
ইন্টারনেট তো গ্লোবাল – কোনো দেশের সীমানা মানে না। তাই এরোটিক ভিডিও চ্যাটে কথা বলা সহজেই দেশ ছাড়িয়ে যায়। বিদেশিদের সাথে ডেটিং, ওয়েবক্যামে গল্প – এটা আর অদ্ভুত লাগে না। এতে মেয়েদেরও লাভ হয়েছে। আগে বিদেশিদের দেখলেই "ওভারসিজ প্রিন্স" ভাবত, যাকে পারে বিয়ে করার চেষ্টা করত। এখন অনেক বেশি ক্রিটিক্যাল আর পিকি। মডেল মেয়েরা এখন পার্টনার বাছাই করে শুধু মানসিক গুণ দেখে না। ফল – হ্যাপি ইন্টারন্যাশনাল কাপলের সংখ্যা বেড়েছে।
বিদেশি বিয়ে করা আজকাল আর সমস্যা নয়, তবে আগের মতোই রেলেভ্যান্ট। ইউরোপে ফেমিনিজমের উগ্রতা অনেক মেয়ের বিয়ে আর ফ্যামিলির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। যারা ঘর-সংসার চায় তারা রাশিয়ান মেয়েদের দিকে ঝুঁকছে। অভিজ্ঞতা বলে – রাশিয়ান মেয়েরা বিদেশি স্বামীর সাথে ফ্যামিলিতে খুব আরাম পায়, ভালোবাসতে জানে আর ভালোবাসা নিতে জানে।
অবশ্য সবকিছু এত সিম্পল নয়। যদি সম্পর্ক শুরু হয় ভার্চুয়ালি – এরোটিক শো, অ্যানাল ফিস্টিং বা অনলাইন স্কোয়ার্ট থেকে – তাহলে রিয়েল লাইফে নিয়ে গেলে মায়াকোভস্কির কথাটা মনে পড়ে যায়: "ভালোবাসার নৌকা দৈনন্দিন জীবনে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ে"। কিন্তু ভালোবাসা থাকলে এই ঝামেলাও পার হয়ে যায়।
ভিব্রাগেমের ইউজাররা মডেলকে অভিনন্দন জানাল আর টোকেন দিয়ে তাকে টপ-১ রেটিং-এ তুলে দিল (এর আগে সে টপ-৭-এ ছিল)। ছোট্ট বিরতির পর মেয়েটা সেক্স ভিডিও চ্যাটে সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে হট সেক্স ব্রডকাস্ট শেষ করে রেস্টে গেল।
আমাদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সাবস্ক্রাইব করো আর সাইট বুকমার্ক করে রাখো – যাতে ভিব্রাগেমের কোনো ইম্পর্ট্যান্ট ইভেন্ট বা খবর মিস না করো।
মেরিলাভলির জন্মদিনের শো দেখে মনে হচ্ছিল – এটা তো শুধু কেক আর চ্যাম্পেন নয়, এটা একটা লাইফস্টাইল। মেয়েটা হাসতে হাসতে বলছিল – "তোমরা আমার সাথে আছ বলেই আজ এত মজা!"। আর দর্শকরা টোকেনের বৃষ্টি ফেলছে। এই কানেকশনটা তো আসল জাদু। কেউ কেউ তো লিখছিল – "তোমার জন্মদিনে আমি তোমার সাথে বিয়ে করতে চাই!"। মেয়েটা হেসে বলল – "প্রাইভেটে আয়, সেখানে বিয়ে করব!"।
আজকাল এমন অনেক কাপল যারা ওয়েবক্যাম থেকে শুরু করে রিয়েল লাইফে গেছে। কেউ কেউ তো বলে – "প্রথমে শুধু দেখতাম, তারপর কথা হলো, তারপর প্রেম, তারপর বিয়ে"। বিদেশি-দেশি মিলে সংসার – এটা আর অদ্ভুত লাগে না। মেয়েরা এখন বুঝে গেছে – ভালোবাসা শুধু টাকা বা লুক নয়, কমিউনিকেশন আর রেসপেক্টও লাগে। আর ওয়েবক্যামে সেই কমিউনিকেশনটা অনেক সহজ হয়ে যায়।
তোমার কি কখনো মনে হয়েছে – কোনো লাইভ শো-তে ঢুকে কারো জন্মদিন উদযাপন করতে? মেরিলাভলির মতো মেয়েরা তো দেখায় – এটা সম্ভব। হয়তো পরের জন্মদিন তোমার – আর তুমি লাইভে কেক কাটবে, চ্যাম্পেন খাবে, দর্শকরা তোমার সাথে গান গাইবে। কী মজা! চলো, ভিব্রাগেমে ঢুকে দেখি – হয়তো আজই কোনো মডেলের জন্মদিন, আর তুমি তার স্পেশাল গেস্ট। টোকেন রেডি রাখো!