এই শুক্রবারের কথা বলি। একটা রোগা, তরুণ মেয়ে – অফিসের ছোট্ট কেবিনে বসে – হঠাৎ লাইভে চলে এলো। VibraGame-এর সেক্স ভিডিও চ্যাটে ঢুকে "রোগা মেয়েদের" ক্যাটাগরি বেছে নিলো। কাজের সময়, ক্লায়েন্টরা ডকুমেন্ট পড়ছে, আর সে চুপচাপ চ্যাট করছে। কেউ দেখছে না, অফিস খালি। মেয়েটা লম্বা পা মুঠোয়ে ধীরে ধীরে হাত বোলাচ্ছে, বুকের উপর আঙ্গুল চালাচ্ছে। ফ্রি ভিডিও চ্যাটে ছেলেদের সাথে গল্প করছে – কাজের বোরিং গল্প, কিন্তু তার চোখে দুষ্টু হাসি। কতক্ষণ চলবে এটা? যতক্ষণ না কেউ এসে পড়ে।
কাজের মাঝে এমন অবাধ্য ব্রডকাস্ট – এটা তো সত্যিই ঝুঁকির খেলা। কিন্তু মেয়েটা যেন মজা নিচ্ছে। একটু একটু করে উস্কানি দিচ্ছে। দর্শকরা তো পাগল – টোকেন ছিটোচ্ছে, প্রশ্ন করছে। আর সে হাসছে, খেলছে। এমন সময় কি কখনো ভেবেছ যে অফিসের টেবিলের নিচে এমন আগুন জ্বলতে পারে?
কাজ থেকে আসল পর্ন ব্রডকাস্ট শুরু হয়ে গেল
একটু পরে আর ধৈর্য রাখতে পারলো না। অফিসে একা, ক্যামেরা ঘুরিয়ে বড় বুকের দিকে ফোকাস করলো। ইরোটিক চ্যাটটা ততক্ষণে গরম হয়ে উঠেছে। সবাই জানে তার যোনি কতটা সরু, কতটা টাইট। ব্লন্ড মেয়েটাকে সেক্সুয়াল প্রশ্নের বন্যা – খুলে ফেলতে বলছে, বোঁটা দেখাতে বলছে। কিন্তু সে তাড়াহুড়ো করছে না। একটু খেলতে চায়। সেক্সি ওয়েব চ্যাটের ইউজারদের সাথে দুষ্টুমি করছে, যতটা সম্ভব গোপনে।
কয়েকটা ইনটিমেট গল্প শেয়ার করলো – স্বামীর কথা, প্রেমিকদের কথা। তারপর ক্যামেরা নামিয়ে পায়ের মাঝে রাখলো। ছোট গ্রীষ্মের ড্রেসটা একটু তুলে দেখালো – প্যান্টি নেই! শুধু পাতলা নাইলনের প্যান্টিহোজ। VibraGame-এর দর্শকরা তো হতভম্ব। সুন্দর যোনি আর নিতম্ব – সবকিছু ঢাকা শুধু পাতলা কাপড়ে। আঙ্গুল ছোঁয়াতেই ভিজে গেল। তারপর তো কমপ্লিমেন্টের বৃষ্টি – গরম মেয়েটাকে সবাই পাগলের মতো প্রশংসা করছে।
এটা কি শুধু খেলা? না, এটা তো আসল আগুন। অফিসের চেয়ারে বসে এমন করছে – কল্পনাই করা যায় না।
ওয়েবক্যাম মডেল ভুলে গেল যে সে কাজের জায়গায়
প্যান্টিহোজ খুলে ফেলতেই সেক্স চ্যাটটা পাগল হয়ে গেল। পা ছড়িয়ে দেখালো, তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে নিতম্ব তুলে ধরলো। প্যান্টির উপর দিয়ে অ্যানাল হোল দেখালো – ছেলেরা তো অসুস্থ হয়ে গেল। তাড়াতাড়ি ঢেকে ফেললো, আবার চেয়ারে বসে ফ্লার্ট করতে লাগলো। অনলাইন সেক্স স্ট্রিমে গিফটের বন্যা – সবাই চাইছে আরও, এখনই। অফিসে লোক এসে গেছে, তাও থামছে না।
কিন্তু মেয়েটা হতাশ করলো না। আনন্দে পুরোপুরি খুলে ফেললো কাপড়। কাজের টেবিলে বসে Vibease স্মার্ট ভাইব্রেটর নিয়ে তার সুন্দর হোলের সাথে রুক্ষ খেলা শুরু করলো। দর্শকরা কন্ট্রোল করছে টয়টা – অনলাইনে মেয়েটাকে সন্তুষ্ট করছে। ওফ, সেই দৃশ্য! অফিসের মাঝে এমন অবাধ্যতা – এটা তো সত্যিই পাগলামি। কিন্তু কে থামতে চায়?
এমন মেয়েরা যারা কাজের মাঝে এমন ঝুঁকি নেয়, তাদের মধ্যে একটা আলাদা আগুন থাকে। রোগা শরীর, লম্বা পা, আর সেই দুষ্টু চোখ – সব মিলিয়ে পাগল করে দেয়। কখনো কি ভেবেছ অফিসের সেক্রেটারি এমন হতে পারে? VibraGame-এ এমন অনেক গল্প আছে। একটু ঢুকে পড়ো, দেখবে কত রকমের আগুন জ্বলছে। কাজের বোরিং দিনটা হঠাৎ গরম হয়ে উঠতে পারে – শুধু একটা ক্লিক দূরে। আর যদি তুমি নিজে এমন কিছু করতে চাও, কে থামাচ্ছে? জীবনটা তো ছোট, একটু দুষ্টুমি করো না!