সম্প্রতি সিমাচেভা_ই নামের একটা ওয়েবক্যাম মডেল তার দর্শকদের সাথে শেয়ার করল – সে চোখের অপারেশন করিয়েছে সেক্স ভিডিও চ্যাটে স্কোয়ার্ট শো-এর পর। অপারেশনটা কঠিন ছিল, কয়েকটা পরিণতি হয়েছে। মেয়েটা বলল – একটা পরিণতি হলো সে ন্যাচারালি বাচ্চা জন্মাতে পারবে না। প্রত্যেক প্রেগন্যান্সিতে সিজারিয়ান হবে।
বাচ্চা জন্মানোতে চোখের সমস্যা হতে পারে বলে সে বলল। অপারেশনের ডিটেলস সে বলেনি। কিন্তু হিন্ট দিয়েছে – একসময় মাথায় সিরিয়াস ইনজুরি হয়েছে, যা দৃষ্টিতে অ্যাফেক্ট করেছে। মেয়েটা চায় না বলতে কে আর কোথায় ইনজুরি করেছে। কারণ আছে, আমরা শুধু অনুমান করতে পারি।
অ্যাডাল্ট BDSM চ্যাট-এর ইউজাররা সাথে সাথে অনুমান করতে লাগল। কিন্তু কোনটা সত্যি – জানব না। উদাহরণ – আমাদের রেগুলার ভিজিটর পাভেল লিখেছে তার সম্ভাব্য গ্রেট লাভের কথা – একটা ইয়ং বয়ফ্রেন্ডের সাথে, পূর্বের উৎসের। লোকটা হট-টেম্পার্ড আর জেলাস। মেয়েটা জেলাসির কারণ দেয়নি। কিন্তু জীবনে কোথায় ঝামেলা হবে – জানা যায় না। "নিজে পড়লে খড় বিছিয়ে রাখতাম" – এই কথাটা তো আছে।
একদিন ক্যাপিটালের এক ক্যাফেতে অন্য পুরুষের সাথে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে দেখে ফেলল। হট মেয়েটার অজ্ঞান হতে অনেক লাগে না – বিশেষ করে মাথায় জোর ধাক্কা লাগলে। কয়েক সেকেন্ড লেগেছে। পাভেল এই গল্পের সাক্ষী – আর মহিলাদের প্রতি বুলিং-এর বিরোধী হিসেবে চাইছিল মডেল পুলিশে রিপোর্ট করুক। কিন্তু ভালোবাসা তো অন্ধ।
আমাদের ন্যারেটর অন্যের গল্পে কথা বলেনি। মেয়েটার চোখের দামি অপারেশন হয়েছে। তার হট-টেম্পার্ড গাই পে করেছে। বলা হয় কাপল এখনো একসাথে। কে জানে, হয়তো মেয়েটা তার প্রিয়জনের সাথে চিট করার জন্য নিজেকে দোষী ভাবে। কিন্তু যাই হোক – কোনো কারণে পুরুষের এমন ব্যবহার বোঝা যায় না। মহিলার ওপর হাত তোলা সবচেয়ে ঘৃণ্য কাজ যা পুরুষ করতে পারে।
যৌবনে নিজের রোগ নিয়ে ভাবি না, কিন্তু পরে তো সব অ্যাফেক্ট করে – তখন আফসোস করতে দেরি হয়ে যায়। কিন্তু অন্যের জীবন অন্ধকার। তারা নিজেদের পার্সোনাল লাইফ বোঝুক। আজ আমরা কিছু রেজাল্ট সামারাইজ করব, ঘটনা থেকে কনক্লুশন ড্র করব।
সিমাচেভা_ই-এর গল্প তো শুধু তার নয় – অনেক মেয়ের। জীবন কখনো কখনো এমন পথে নিয়ে যায় যে পছন্দ না থাকলেও কাজ করতে হয়। কিন্তু ভিব্রাগেমে এসে আমি বুঝলাম – এখানে নিরাপদে, ঘরে বসে, নিজের শর্তে কাজ করা যায়। আর টাকা? ভালোই আসে। মেয়ের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত। আর আমার? হয়তো কোনোদিন সেই ধনী পুরুষ আসবে – যে আমাকে শুধু টাকা দেবে না, ভালোবাসবে। ততদিন – চ্যাটে আছি, মজা পাচ্ছি, টাকা কামাচ্ছি। জীবন তো চলতেই থাকে। আর তুমি? তোমার গল্প কী? চ্যাটে ঢুকে বলো – হয়তো আমি তোমার গল্পও শুনব!
ভাই, এই গল্প শুনে মনে হলো – জীবন কত অদ্ভুত। একটা মেয়ে চোখের অপারেশন করিয়ে সেক্স চ্যাটে ফিরে এল। তার স্টোরি তো শুধু অপারেশন নয় – পরকীয়া, ইনজুরি, প্রেমের ঝামেলা। কেউ বলে – "তোমার চোখের জন্য সবকিছু ছেড়ে দিলাম"। কিন্তু সত্যি কথা – চোখের সমস্যা থাকলে সেক্স চ্যাটে কাজ করা কঠিন। কিন্তু সে রিকভার করে ফিরে এল – আরও হট হয়ে। চ্যাটে ঢুকে দেখো – তার শো মিস করো না। হয়তো তোমারও কোনোদিন চোখের অপারেশন লাগবে – কিন্তু তার আগে তার সাথে মজা করো!