
সাম্প্রতিক একটা লাইভে ব্ল্যাকক্যাটি তার দর্শকদের সামনে খোলাখুলি বলে ফেলল—তার স্কুইর্ট শো-এর জন্য যা কিছু কেনে, সবই সেকেন্ড-হ্যান্ড থেকে। অন্তর্বাস থেকে মোজা পর্যন্ত—কোনোকিছুই নতুন কেনে না এই মেয়ে।
কারণটা সহজ—সে সবকিছুতে সাশ্রয় করে। স্বপ্ন দেখে একদিন নিজের একটা ফ্ল্যাট কিনবে। শুনতে অবাক লাগে, কিন্তু সত্যি। খাবারে কাটছাঁট, বাইরে ঘোরাফেরায় লাগাম, ছোটখাটো খরচে হাত কাঁপে—সবই ওই একটা লক্ষ্যের জন্য।
ব্ল্যাকক্যাটি বলে, ভাইব্রাগেম ছাড়া তার ভবিষ্যৎ কল্পনাই করতে পারে না। ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে এখানেই তার জীবন। কিন্তু মনে মনে দেখতে পায় সেই দিনটা—চাবি হাতে নতুন ফ্ল্যাটে ঢোকে, দরজা বন্ধ করে নিজের মতো করে সাজায়। সেই ছবিটা ওকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
নিজের পক্ষে ও যুক্তি দেয়—সেকেন্ড-হ্যান্ড কাপড়ের কোয়ালিটি একদম নতুনের মতোই। উপরন্তু বিডিএসএম চ্যাটে লাইভে যখন কাপড় ছিঁড়ে ফেলে বা রগড়ে ব্যবহার করে, তখন নতুন জিনিস নষ্ট করার চেয়ে এগুলোই ভালো। আর সেকেন্ড-হ্যান্ড শপে তো বাহারি জিনিস পাওয়া যায়—বুটিকের লেসি অন্তর্বাস, বিডিএসএম খেলার জন্য চামড়ার জিনিস, আবার ঘরের কাজে বা ওয়েবক্যামে স্ট্রিপটিজের জন্য সিম্পল পোশাকও। দাম? আধা বা তারও কম।
এই মেয়েটার জেদ দেখে অবাক হতে হয়। কত মেয়েই তো টোকেন পেলেই শপিং-এ উড়িয়ে দেয়, কিন্তু ব্ল্যাকক্যাটি? না। প্রতিটা টোকেন জমায় ব্যাঙ্কে। কখনো কখনো লাইভে দর্শকরা জিজ্ঞেস করে, “কেন এত কষ্ট করিস?” ও হেসে বলে, “একদিন তোমরাই আমার নতুন ফ্ল্যাটে পার্টি করতে আসবে!” শুনে সবাই হাসে, কিন্তু ও সিরিয়াস।
আর তার স্কুইর্ট শো? ওয়াও! সেকেন্ড-হ্যান্ড লিঙ্গেরি পরেও যেন আগুন। পুরনো হলেও ফিটিং এত পারফেক্ট যে মনে হয় না কখনো অন্য কেউ পরেছে। কখনো একটা পুরনো কর্সেট পরে, কখনো ছেঁড়া ফিশনেট—সবকিছুতেই তার শরীর যেন জ্বলে ওঠে। দর্শকরা পাগল হয়ে টিপস দেয়, আর ও জমায়।
কখনো কখনো ও একটু দুষ্টুমি করে। লাইভে বলে, “আজকের এই প্যান্টিটা মাত্র ৫০ টাকায় কিনেছি—কিন্তু তোমাদের জন্য এটা প্রাইসলেস!” সবাই হো হো করে হাসে। আবার কখনো গলা নামিয়ে বলে, “এই টোকেনগুলোই একদিন আমাকে ফ্রি করবে।” তখন মনে হয়, এই মেয়েটার মধ্যে কী জেদ, কী স্বপ্ন!
বিডিএসএম চ্যাটে যখন ও রোল প্লে করে, সেকেন্ড-হ্যান্ড চেইন বা রোপ দিয়ে খেলে—তখন মনে হয় না এগুলো পুরনো। বরং আরও বেশি রিয়েল লাগে। যেন সত্যি সত্যি কোনো অন্ধকার ঘরে বাঁধা পড়েছে। আর ওর চোখের দৃষ্টি? সেইটাই আসল খেলা।
অনেকে হয়তো ভাবে, ওয়েবক্যাম মেয়েরা শুধু খেলে আর উড়িয়ে দেয়। কিন্তু ব্ল্যাকক্যাটি প্রমাণ করছে—না। স্বপ্ন থাকলে, জেদ থাকলে, সাশ্রয় করলে—সব সম্ভব। তার গল্প শুনে অনুপ্রাণিত হয় না এমন দর্শক খুব কম। কেউ কেউ তো নিজেও জমাতে শুরু করে!
তাই আজই তার রুমে ঢোকো। দেখবে, সেকেন্ড-হ্যান্ড পোশাকে কীভাবে স্বপ্ন বুনে চলেছে এই মেয়ে। আর হ্যাঁ, তোমার টিপসটা হয়তো সেই ফ্ল্যাটের একটা ইট হয়ে যাবে। কে জানে?