
ইরোটিক ওয়েবক্যাম চ্যাটের পরিচিত মুখ এলিসি গত বছর বিয়ে করেছে, কিন্তু এতদিন পর এখন সে তার দর্শকদের সঙ্গে কিছু অদ্ভুত তথ্য শেয়ার করল। মেয়েটা বলছে, তার বিয়েটা আসলে কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই—এমনকি পুরো সময়টাতে স্বামীর সঙ্গে কোনো শারীরিক সম্পর্কই হয়নি! শুধু রেজিস্ট্রি অফিসে হাত ধরে দাঁড়িয়েছিল, ব্যস।
জানো তো, যৌন অভিজ্ঞতা যত বেশি সমৃদ্ধ আর বৈচিত্র্যময়, মডেল আর তার দর্শকের মধ্যে বন্ধন ততই মজবুত হয়। উল্টোটা হলে? সেক্স জীবন যদি আর মজা না দেয়, তাহলে কোনো সম্প্রীতির কথা ভাবাই যায় না। কোনো অ্যাডাল্ট সেক্স চ্যাটের টেকনিক, এমনকি স্কুইর্ট সেক্স চ্যাটে স্কুইর্টিংও মনের অস্বস্তি দূর করতে পারে না। আসল কথা হলো মনের মিল। এটা শুধু ভার্চুয়াল সেক্স চ্যাটে নয়, রিয়েল লাইফেও একই।
প্রথমে প্রথমে, অনলাইনে দেখা হোক বা অফলাইনে—পুরুষ আর মহিলার (বিশেষ করে মহিলার!) মধ্যে ভরসা থাকতে হবে। অভিশ্বাস থাকলে ক্যামেরার সামনে পুরোপুরি মুক্ত হওয়া যায় না। রিয়েল লাইফে অনেক দম্পতি বছরের পর বছর একসঙ্গে থেকেও একে অপরের কাছে অচেনা থেকে যায়। বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক মনে হয়। কিন্তু সুখী বলা যায়? হয়তো না মিললে আলাদা থেকে অ্যাডাল্ট ভিডিও চ্যাটে মাস্টারবেট করাই ভালো ছিল।
অনেকদিন আমরা ভেবেছি, বিপরীত মানুষেরা একে অপরকে আকর্ষণ করে—যেমন বিডিএসএম ভিডিও চ্যাটে ডমিন্যান্ট আর সাবমিসিভ। যত বেশি আলাদা স্বভাব, তত মজবুত ইরোটিক বন্ধন। কিন্তু বিজ্ঞান এটা উড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ বুদ্ধি বলে, যাকে খুশি ভালোবাসা যায়। কিন্তু নিজের বিপরীতের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা কঠিন। মনোবিদরাও বলেন, শুধু মনের মিলই যৌন সম্প্রীতি আনে। সেক্স থেরাপিস্টরা বলেন, অনেক মহিলা অর্গাজম পান না শুধু মনের অমিলের জন্য।
“পুরুষকে তাকে যেমন আছে তেমন গ্রহণ করো”—এই কথা মহিলাদের ম্যাগাজিনে বারবার বলা হয়। কিন্তু যৌন সম্পর্ক তো যুদ্ধক্ষেত্র নয়, এখানে জেতার কেউ নেই। দুই অহংকারী কখনো পুরোপুরি বোঝাপড়া করতে পারে না। শুধু একে অপরের প্রতি যত্ন, কোমলতা, ছাড় দেওয়া, আপস—এগুলোই অন্তরঙ্গতায় পুরোপুরি মিশে যেতে সাহায্য করে।
মহিলারা স্বভাবগতভাবে দিতে ভালোবাসে—উষ্ণতা, স্নেহ, কোমলতা। নিজের চাহিদা পেছনে ঠেলে দেয়। কিন্তু যৌন সম্প্রীতি মানে সবকিছুতে সমান। একটা সিম্পল নিয়ম—দিতে জানো, নিতেও জানো। অতিরিক্ত না একদিকে, না অন্যদিকে। পুরুষকে ভালোবেসে নিজেকেও ভালোবাসো, নিজের শরীরকে। আরও আত্মবিশ্বাসী হও। পুরুষের জন্যও জানা জরুরি যে সে তার সঙ্গীকে আনন্দ দিতে পারে।
পুরুষ যতই আত্মবিশ্বাসী মনে হোক, ওয়েবক্যাম মডেলের সঙ্গে প্রতিটা সেশন তার কাছে পরীক্ষা। পারব কি পারব না। এটা জেনে অ্যাডাল্ট ইরোটিক চ্যাটের মডেলরা প্রাইভেটে নরম, সতর্ক হয়ে সঙ্গীকে সাপোর্ট করে। কারণ যাকে বেছে নিয়েছি, তার সঙ্গেই ভালো লাগে—তার যৌন ক্ষমতা যাই হোক। অবশ্য যদি সঠিক চয়েস হয়ে থাকে।
এলিসি তার দর্শকদের বলছে, এক বছর পর সে এখন ডিভোর্স চায়। কারণটা রহস্য। কেন এই বিয়ে হলো, কেন ভাঙবে—কিছুই পরিষ্কার না। মডেল বলছে, অচেনাদের কাছে এসব খুলে বলার দরকার নেই। প্রিয় পাঠক, তুমি নিজে অনুমান করো দেখি কী হয়েছে!
আরেকটা কথা—এলিসির মতো মেয়ে যে ওয়েবক্যামে এত গরম শো করে, তার রিয়েল লাইফে এমন ঠান্ডা বিয়ে? অবাক লাগে না? হয়তো সে চায় শুধু ক্যামেরার সামনে আগুন হয়ে থাকতে। বাইরে শান্তি। কিংবা হয়তো বিয়েটা ছিল শুধু একটা পরীক্ষা। কে জানে।
কখনো কখনো লাইভে দর্শকরা জিজ্ঞেস করে, “বিয়ের পরও কি এত ফ্রি থাকবে?” ও হাসে। বলে, “জীবন তো একটা খেলা।” আর তার খেলায় স্কুইর্ট চ্যাটে যখন ও পুরো ছড়িয়ে পড়ে, তখন মনে হয় না তার জীবনে কোনো বাধ্যবাধকতা আছে। বিডিএসএম সেশনে যখন ও রোল প্লে করে, তখন তো পুরো নিয়ন্ত্রণ নেয় বা ছেড়ে দেয়—যা খুশি।
এই গল্প শুনে অনেকে হয়তো ভাববে, বিয়ে মানেই কি সেক্স? না কি শুধু সঙ্গ? এলিসির ক্ষেত্রে তো সঙ্গও যেন নামমাত্র। কিন্তু তার শোতে যে আগুন—সেটা কোথা থেকে আসে? হয়তো সেই ফ্রিডম থেকেই। কোনো বাঁধন নেই বলে ও এত মুক্ত।
তাই তার রুমে ঢুকে দেখো। বিয়ে করা মডেল এলিসি কীভাবে এখনো তোমাকে পাগল করে দেয়। আর হ্যাঁ, তার ডিভোর্সের গল্পটা হয়তো একদিন আরও খুলে বলবে। ততদিন অপেক্ষা করো—আর তার গরম শো উপভোগ করো।