সম্প্রতি VibraGame-এ একটা টিচার নোট করেছে – ফ্রি টাইমে পার্ট টাইম কাজ করত, খুলে তার গর্জিয়াস বডি ওয়েবক্যামে দেখাত। অবশ্যই ইরোটিক শো স্পেশাল সার্ভিস আর ইন্টারনেটের অনলাইন ভিডিও চ্যাট দিয়ে স্প্রেড হয়েছে।
অ্যাডাল্টদের লাইভ চ্যাটে ইনেক্সপিরিয়েন্সড ওয়েবক্যাম মডেল এসেছে। একটা ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা বলতে বলতে – যে প্রথমে ল অ্যানফোর্সমেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ বলে ইন্ট্রোডিউস করতে ভুলে গেছে – হট বিউটি রিয়েল পর্ন শো দিয়েছে। সেক্স স্ট্রিম শুধু পুরুষ অর্গান না – ল অ্যানফোর্সমেন্টকেও স্টির করেছে। পরে টিচারকে ইনস্টিটিউশন থেকে ফায়ার করা হয়েছে যেখানে পড়াত।
“কেউ ভাবেনি এটা হবে। ন্যাচারালি আমাদের প্রফেশন কিছু রেস্ট্রিকশন দেয় ফাইন্যান্সিয়াল পে আর লাইফ এক্সপেকটেন্সির ব্যাপারে – তাই আমরা কন্ট্রোল করতে পারি না প্রত্যেক এম্প্লয়ি ফ্রি টাইমে কী করে। মিডিয়া থেকেই এই ইনফো পেয়েছি” – সেক্স ভিডিও চ্যাটে টিচারের শোর পর হেডমাস্টার জার্নালিস্টদের কাছে।
ইনফো পাবলিক হওয়ার পর টিচার চাকরি ছেড়েছে
ইনফো পাবলিক হওয়ার পর ওয়েব মডেল টিচার তৎক্ষণাৎ ভলান্টারিলি রিজাইন লেটার লিখেছে। সত্যি বলতে আজ পর্যন্ত জার্নালিস্ট বা সাবেক স্টুডেন্টদের সঙ্গে কোনো কন্ট্যাক্ট করে না। মিডিয়ার পাবলিকেশন দেখে মনে হয় সাবেক টিচার "সবভাবে রিগ্রেট" করছে তার লিটল হবি ডিসকভার হয়ে গেছে আর স্ট্রেসে ভুগছে। তার লাইভ ব্রডকাস্ট ওয়েব চ্যাটে আর কী হবে – এখনও আননোন।
উল্লেখ্য এটা পেডাগজির সঙ্গে প্রথম স্ক্যান্ডাল না। ২০১১-এ লোকাল কিন্ডারগার্টেনের সাইকোলজিস্ট তার ওয়ার্ডদের "মরন" বলে ডেকেছে, তারপর তার লাভারকে ওয়ার্কপ্লেসে সেক্স এক্সকার্শন করিয়েছে। এটা ভিডিও থেকে ক্লিয়ার হয়েছে – যেটা পুরুষটা নিজে করেছে।
এই রেকর্ড অনুযায়ী মহিলা সবচেয়ে রুড ভাবে গালি দেয়, ডেভেলপমেন্টাল ডিসএবিলিটির বাচ্চাদের "মরন" বলে আর কিন্ডারগার্টেনের কিছু জায়গা সেক্সুয়াল প্লেজারের জন্য রেকমেন্ড করে।
টিচারের প্রফেশন – এটা ভোকেশন
এডুকেশনাল কনটেক্সটে এমন সিচুয়েশন সিম্পলি ডেসক্রাইব করা যায়। প্রাইম মিনিস্টার যেমন বলেছে – "টিচার" প্রফেশন স্যালারি না, ভোকেশন। ডাউট নেই অনেক জায়গা আছে যেখানে অনেক ভালো জব পাওয়া যায়। যেমন VibraGame-এ ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে কাজ শুরু করা। এখানে মডেলরা শুধু ফেমাস হয় না – অনেক প্লেজার আর ভালো টাকা পায়!
এমন কেলেঙ্কারি দেখলে তো মনে হয় – আরে টিচাররা যদি ফ্রি টাইমে সেক্স চ্যাটে ঢোকে – তাহলে কী না হতে পারে! টিচারের সঙ্গে সেক্স, ওয়েবক্যামে টিচারের পর্ন – সব মিলিয়ে পুরো শক। কিন্তু সত্যি বলতে – প্রফেশন তো ভোকেশন, কিন্তু লাইফ তো আলাদা। অনেকে তো ফ্রি টাইমে VibraGame-এ ঢুকে মজা নেয়। টিচার হয়ে যদি কেউ ক্যাম মডেল হয় – তাহলে তো তার ব্যাপার। কিন্তু ধরা পড়লে তো কেলেঙ্কারি। এমন স্টোরি দেখলে মনে হয় – আরে দুনিয়াটা কতটা অদ্ভুত! কেউ টিচার, কেউ ছাত্রী – কিন্তু অনলাইনে সবাই খোলামেলা। তাই সাবধানে থাকো – কারণ একটা ভুলে পুরো ক্যারিয়ার শেষ। কিন্তু যারা রিস্ক নেয় – তারা তো মজা পায়। VibraGame-এ ঢুকে দেখ – হয়তো কোনো টিচার তোর সামনে তার হট সাইড দেখাবে। মিস করলে পরে পস্তাবি – কারণ এমন কেলেঙ্কারি অন্য কোথাও পাবি না!