যদি ২০০০-এর দশকের ওয়েবক্যাম চ্যাটস আর আজকের সার্ভিসগুলো কমপেয়ার করি, তাহলে সহজে বলতে পারি যে মডার্ন মডেলরা পাস্টের কমপেয়ারে কুইনের মতো লিভ করে।
আজ তুই ইরোটিক অ্যাডাল্ট শোয়ের প্রচুর ইনফো পাবি, কিন্তু এই স্ফিয়ারে কাজ করা মডেলদের নিয়ে আমরা কিছু জানি না, ইনফো প্র্যাকটিক্যালি আনডিসক্লোজড কারণ মডেলরা প্রোভাইড করে না। যে মেয়েরা ডেলি শত শত ক্লায়েন্টকে ওদের চার্ম আর যৌনতা দিয়ে এনটারটেইন করে ওরা শ্যাডোয়ে থাকতে চায়। এই আর্টিকেল ওদেরকে ডেডিকেটেড।
নোট করা ওয়ার্থ যে পর্ন চ্যাটস ভিজিটরস, ফার্স্ট অফ অল, অ্যাটেনশন দেয় না শুধু মডেলকে কিন্তু প্লেস (রুম) যেখান থেকে গার্ল ব্রডকাস্ট করে। কালারফুল ওয়ালপেপারস বা লাইট ইরোটিক পিকচারস আর ফটোস ব্যাকগ্রাউন্ডে গ্রেট লুক করবে। ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে তোকে ওয়েবক্যামের সামনে কনসিডারেবল অ্যামাউন্ট অফ টাইম ডেভোট করতে হবে। জেনারাস মেন নেকেড বেবসের সাথে সেক্স ভিডিও চ্যাট খুব ভালোবাসে। গুড সেক্স শোর জন্য অনেক ক্লায়েন্ট প্রচুর টোকেন পে করতে রেডি। তোকে শুধু তোর ক্লায়েন্ট পেতে হবে।
এই ওয়েব পর্ন চ্যাটে প্রচুর ওয়েব মডেল আছে যারা স্টেবল ইনকাম করে হোম না ছেড়ে। অনেক সেক্সি ওয়েব গার্লস বিভিন্ন সাইজের টয়স ইউজ করে ওদের ইনটিমেট ব্রডকাস্টে, অন্যরা ফিঙ্গারস দিয়ে কাজ করতে প্রেফার করে। এমন অ্যাকটিভিটি শুধু মানি নয় প্লেজারও আনবে। বিশ্বজুড়ে প্রচুর বিউটিস কাজ করে, সবাই ওদের ক্লায়েন্টের সাথে কনভিনিয়েন্ট টাইমে মজা করতে রেডি। এক্সএক্সএক্স অ্যাক্ট্রেসের সাথে তুই সহজে ভার্চুয়াল সেক্স অ্যারেঞ্জ করতে পারিস। একটু পে করে গার্লকে ভালো করে জান। অনেক চার্মিং গার্লস অনলাইন পোজ করে আর ফ্রি টাইমে বিভিন্ন সেক্সি কনটেন্ট পোস্ট করে।
জেনারেলি, যদি তুই পপুলার ওয়েব মডেল হওয়ার ডিসাইড করিস, ওয়েলকাম টু রেজিস্টার অ্যাস এ সেক্স চ্যাট মডেল আর এক্সাইটিং সেক্স শো দিয়ে লোকদের প্যাম্পার করা শুরু কর। কখনো কখনো ভাবি এই ওয়েবক্যাম বিজনেস না থাকলে কতটা একঘেয়ে হয়ে যেত পর্ন – শুধু ফেক মোয়ান আর ফেক কাম!
তোমার ইরোটিক চ্যাট অভিজ্ঞতা অবিস্মরণীয় করো!
ওয়েবক্যাম, ডেস্কটপ পিসি আর স্টেবল ইন্টারনেট মডার্ন পার্সনের লাইফের ইনটিগ্রাল জিনিস। প্রত্যেক বছর বিশ্বজুড়ে আরও ইরোটিক ওয়েব চ্যাট ওপেন হয়, আর এটা অবাক করার নয় কারণ প্রত্যেকদিন এমন লাইভ সেক্স শোয়ের ফ্যান বাড়ছে। সবচেয়ে প্রথম ভিডিও সেক্স চ্যাট ৯৯-এর দূরের বছরে অ্যাপিয়ার করে। সেই টাইমে এই টপিক পার্টিকুলার ডিমান্ডে ছিল না, আর সার্ভিস শ্যাডোয়ে থেকে যায়। আসলে এটা ওনার্সের জন্য লসিং ইনভেস্টমেন্ট হয়ে যায়, কিন্তু এখন (আমাদের টাইমে) এমন বিজনেস ফাউন্ডার্সকে কনসিডারেবল ইনকাম আনতে পারে, আর মডেলদেরও যারা ওয়েবক্যাম বিজনেসের ফিল্ডে কাজ করে।
যদি ২০০০-এর দশকের ওয়েবক্যাম চ্যাটস আর আজকের সার্ভিসগুলো কমপেয়ার করি, তাহলে সহজে বলতে পারি যে মডার্ন মডেলরা পাস্টের কমপেয়ারে কুইনের মতো লিভ করে। সেই টাইমে সাধারণত অর্ডিনারি স্মল স্টুডিওস ইউজ করা হতো চিপ ব্যাকগ্রাউন্ড আর ব্যাড ক্যামেরা দিয়ে, আইডিয়া ছাড়া, আর মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি ফিলিংস ছাড়া। কিছু উদাহরণস্বরূপ চিপ ম্যাট্রেসও ইউজ করতে পারে যার উপর মডেল নিজেকে এনটারটেইন করত। ইকোনমিক পার্ট অফ দ্য বিজনেসের কথা বললে সবকিছু প্রায় সেইম যেমন এখন। ৮০-৯০% প্রফিট ডাইরেক্টলি গার্ল বা গাইয়ের কাছে যেত যে লাইভ শো করত, আর রেস্ট ওনার্স (ভিডিও চ্যাটের ক্রিয়েটরস) নিত।
ওয়েবক্যাম মডেলের ম্যাটেরিয়াল বেনিফিটস
বিশ্বজুড়ে ভিউয়ার্সের হিউজ ফ্লোর কারণে এই টাইপ অফ অ্যাকটিভিটি বিজনেসের ফাউন্ডার্সের ইনকাম সিগনিফিক্যান্টলি এক্সপ্যান্ড করেছে। কিন্তু মেনশন করা ওয়ার্থ যে সেই টাইমে প্র্যাকটিক্যালি কোনো কমপিটিশন ছিল না। লেটার, অ্যাডাল্ট ভিডিও চ্যাটসের ডেভেলপার্স বিভিন্ন অ্যাডাল্ট পার্টনার প্রোগ্রামস ডেভেলপ করে যাতে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টসে নিচ ক্যাপচার করে অর্ডিনারি পর্ন ভিডিও সাইটসকে সাপ্ল্যান্ট করতে পারে যা এই টাইমে ইতিমধ্যে অবসোলিট হয়ে গেছে।
ফানি যে প্রাইস ফলিং আর ওয়েবক্যাম চ্যাটসে জেনারেল কমপিটিশন এক্সপ্যানশন সত্ত্বেও কিছু গার্ল আর গাইসের জন্য এই টাইপ অফ অ্যাকটিভিটি স্টিল বেসিস আর ওদের খুব গুড মানি আনে। কখনো কখনো ভাবি এই ওয়েবক্যাম বিজনেস না থাকলে কতটা একঘেয়ে হয়ে যেত পর্ন – শুধু ফেক মোয়ান আর ফেক কাম!