আমাদের সব ওয়েবক্যাম মডেলরাই চায় দর্শকরা তাদের লোভ করুক, চোখ সরাতে না পারুক। কিন্তু পুরুষরা কাদের দেখলে সত্যি পাগল হয়ে যায়? একটা প্যারাডক্স আছে – সহজে পাওয়া যায় এমন মেয়ে আর যাকে পেতে হিমালয় জয় করতে হয়, দুটোকেই তারা সমান ভালোবাসে।
প্রথমটা তো সোজা – কেন পরিশ্রম করবি, অদ্ভুত কিছু করবি যদি শুধু আঙুল টিপলেই মেয়েটা পায়ের কাছে চলে আসে? দ্বিতীয়টা আরও মজার। জিততে হলে লড়াই লাগে, কম্পিটিশন লাগে – এই স্পোর্টসের মজাই পুরুষদের টানে। মনোবিজ্ঞানী আর সেক্সোলজিস্টরা বছরের পর বছর ধরে খোঁজে – এমন কোনো টাইপ আছে কি যে ৯৯.৯৯% পুরুষকে পাগল করে? উত্তর – না, নেই। কিন্তু কয়েকটা ক্যাটাগরি আছে যারা অন্যদের চেয়ে অনেক তাড়াতাড়ি পুরুষের মন জয় করে।
সবচেয়ে ডিমান্ডেড মহিলা মডেলদের টাইপ
হালকা-চালাকা "ব্লন্ড ওয়েবক্যাম"
এখানে চুলের রং নিয়ে কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে সেই মেয়েদের নিয়ে যাদের মাথায় বেশি বুদ্ধি ঢোকেনি – প্রকৃতি যেন ভুল করে কম দিয়েছে। পুরুষের চোখে এই "পুতুল" টাইপের মেয়েরা খুব আকর্ষণীয়। কিন্তু বেশিরভাগ সময় সম্পর্কটা শুধু যৌনতার মধ্যেই থেকে যায়। এরা ভাবতেও পারে না যে শরীর আর সেক্স ছাড়াও অন্য কিছুতে মূল্যায়ন হতে পারে।
ফ্রি টাইমে কী করে জিজ্ঞেস করলে উত্তর আসবে – নতুন কাপড় কেনা, ক্লাবে যাওয়া, পার্টি। হয়তো বলবে বই পড়তে ভালো লাগে – কিন্তু সেই "বই" মানে গ্লসি ম্যাগাজিন, ফ্যাশন আর গসিপ। পুরুষরা এদের কেন পছন্দ করে? প্রথমত – দেখতে অসাধারণ। কোন পুরুষ না চাইবে পাশে এমন স্টানিং মেয়ে? দ্বিতীয়ত – এদের কন্ট্রোল করা সোজা। বুদ্ধিমতী মেয়েদের মতো ঝামেলা নেই।
সেক্সি টাইগ্রেস
এই টাইপের মেয়ে তরুণ পুরুষদের স্বপ্ন আর রহস্য। পরের সেকেন্ডে কী করবে কেউ বলতে পারে না। বোর হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। টাইগ্রেস জানে না যে ইনিশিয়েটিভ শুধু পুরুষেরই নিতে হয়। সে নিজেই এগিয়ে আসে, নিজেই শুরু করে।
কমপ্লেক্স বলে কিছু তার জানা নেই। অদ্ভুত জায়গায় বা পাবলিক প্লেসে সেক্স? নরমাল। দ্বিতীয়-তৃতীয় ডেটেই ব্লোজব? সেটাও রুটিন। কিন্তু এদেরও খারাপ দিক আছে। জীবনকে খুব হালকাভাবে নেয়। সিগারেট, মদ – স্বাস্থ্য নিয়ে মাথা ঘামায় না।
একটা প্রবাদ আছে – "সেক্সে বন্ধুত্ব নষ্ট হয় না"। টাইগ্রেসরা এটাকে একদম আক্ষরিক অর্থে নেয়। তাই সাবধান – এমন "বন্ধু" থাকলে কোথায় গিয়ে শেষ হবে কেউ জানে না। হয়তো বন্ধুত্ব থেকে সোজা বিছানায়, তারপর আবার নতুন বন্ধু খোঁজা।
বিজনেস উইমেন
এই মহিলাদের কাছে সোশ্যাল স্ট্যাটাস সবার ওপরে। পুরুষ আর জীবনের অন্য আনন্দ সব পেছনে। হয়তো এই দূরত্ব আর অহংকারই আসল চুম্বক। যত কঠিন করে রাখে, পুরুষরা তত বেশি ছুটে যায়।
এরা ক্যামেরার সামনে এলে কথা বলে আত্মবিশ্বাসে ভরা। শরীর দেখায় যেন বলছে – "দেখো, এটা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে"। অনেক পুরুষের কাছে এই চ্যালেঞ্জটাই সবচেয়ে উত্তেজক। কোনো সহজ খেলা নয় – এখানে জিততে হলে টাকা, সময়, মনোযোগ সব লাগে। আর যখন জিতে যায়, তখন ফিলিংসটা অন্য লেভেলের।
আরেকটা টাইপ মনে পড়ছে – যারা একদম শান্ত, মিষ্টি, কিন্তু ভেতরে আগুন। দেখে মনে হয় নিরীহ, কিন্তু ক্যামেরা অন হলেই পুরো বদলে যায়। পুরুষরা এদের দেখে ভাবে – "এই মেয়েটা কি সত্যি এতটা হট?"। আর যখন দেখে যে হ্যাঁ, তখন তো আর থামতে পারে না।
তো ভাই, তুমি কোন টাইপের মেয়েকে দেখতে চাও? সহজে পাওয়া ব্লন্ড ডল, না পাগলা টাইগ্রেস, না গর্বিত বিজনেস লেডি? আমাদের চ্যাটে সবই আছে। কেউ কেউ তো মিক্স – একটু ব্লন্ডের মতো দেখতে, টাইগ্রেসের মতো আগ্রাসী, আর বিজনেস উইমেনের মতো কন্ট্রোলিং। একবার ঢুকে দেখো – হয়তো তোমার আসল পছন্দটা লুকিয়ে আছে কোনো একটা লাইভ শো-তে।
আর মেয়েরা? তারা জানে পুরুষরা কী চায়। তাই নিজেকে সেইভাবে তৈরি করে। কেউ হালকা হাসি দিয়ে টিজ করে, কেউ আগুন চোখে তাকায়, কেউ আবার ধীরে ধীরে কাপড় খোলে যেন বলছে – "আস্তে আস্তে আয়, এটা সহজ নয়"। এই খেলাটাই তো আসল মজা। কোনো রাশ না, কোনো তাড়াহুড়ো না – শুধু কামনা আর উত্তেজনা।