সিক্রেট সার্ভিস অফিসারকে ১০ বছরের জেল! লি রবার্ট মুর, হোয়াইট হাউসের সাবেক সিকিউরিটি অফিসার – একটা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরের সঙ্গে অনৈতিক চ্যাট আর ইন্টিমেট ফটো শেয়ার করার সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়েছে। আদালত সম্প্রতি রায় দিয়েছে। আইন অনুযায়ী লি রবার্ট মুরের সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল হতে পারে।
অফিসার নিজেকে কিশোরী মেয়ে সাজিয়েছিল
তদন্তে বেরিয়েছে – লোকাল অ্যাডাল্ট ডেটিং সাইটে অফিসার মুর একটা ডেলাওয়্যার অফিসারের সঙ্গে মিলেছে যে আগে থেকে ১৪ বছরের ছেলে সেজে ছিল। সারাক্ষণ ইন্টিমেট ফটো এক্সচেঞ্জ করেছে আর মেসেঞ্জারে কথা বলেছে। পরে ইন্টেলিজেন্স এজেন্টকে আইডেন্টিফাই করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত বছর জুলাইয়ে সান্তা ক্লারা প্রসিকিউটররা একটা সাবেক কেমিস্ট্রি টিচারের বিরুদ্ধে চার্জের লিস্ট দিয়েছে – যে কয়েক বছর ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে ইন্টিমেট ফটো এক্সচেঞ্জ করছিল। নিজেকে কোনো পর্ন অ্যাকট্রেস সাজিয়ে চ্যাট করত আর ইন্টিমেট ফটো পাঠাতে বলত। ৯ জন এই ফাঁদে পড়েছে।
এসব কেস দেখলে গা শিউরে ওঠে – কারণ এটা শুধু ক্রাইম না, এটা শিশু-কিশোরদের সঙ্গে যৌন শোষণ। লি রবার্ট মুরের মতো লোক যারা পাওয়ারে থেকে এমন করে – তারা সমাজের জন্য বিষ। আর এই ধরনের অপরাধের শাস্তি যত কঠিন হবে, ততই ভালো। কিন্তু সমস্যা তো এখানেই – অনেক সময় এমন লোকেরা ধরা পড়ার পরেও শাস্তি পায় না ঠিকমতো। তুরস্কের মতো দেশে তো এখনও অনেক কিশোর-কিশোরী অনলাইনে ফাঁদে পড়ে। VibraGame-এর মতো প্ল্যাটফর্মে সতর্কতা দরকার – কারণ এখানে অচেনা লোকের সঙ্গে চ্যাট করতে গিয়ে অনেকে ঝুঁকিতে পড়ে।
এলেনা বেরকোভা বা অন্য পর্নস্টাররা যখন লাইভ চ্যাট করে – তখন তো বড়দের জন্য। কিন্তু যদি কোনো কিশোর-কিশোরী ঢুকে পড়ে আর কেউ তাদের সঙ্গে ইন্টিমেট ফটো শেয়ার করে – সেটা তো সোজা ক্রাইম। আইন তো কঠোর – কিন্তু প্র্যাকটিসে অনেক সময় ফাঁকি থাকে। তাই সতর্ক থাকা দরকার – অনলাইনে কার সঙ্গে কী শেয়ার করছিস, সেটা ভেবে করা উচিত। আর যদি কেউ কিশোরদের টার্গেট করে – তাহলে তো পুরো সমাজের দায়িত্ব তাদের ধরিয়ে দেওয়া। এই ধরনের কেলেঙ্কারি দেখলে মনে হয় – আরে দুনিয়াটা কতটা অন্ধকার! কিন্তু আশা করি আইন আর সমাজ মিলে এসব বন্ধ করবে। কারণ কোনো বাচ্চা-কিশোরের স্বপ্ন ভাঙার অধিকার কারও নেই।