সেক্স! চিরকালীন বিতর্ক, আলোচনা আর অনুমানের টপিক। প্রত্যেক সেক্সুয়াল পার্টনার – লিঙ্গ, বয়স বা টেস্ট যাই হোক – বিছানায় সেরা হতে চায়।
অনেক ছেলে ভাবে মেয়েকে বিছানায় স্যাটিসফাই করা খুব কঠিন। প্রত্যেক মেয়ে ইউনিক। যা একজনের পছন্দ, অন্যজনের কাছে একদম অপছন্দ। কারণ প্রত্যেক কাপলের রিলেশনশিপ আলাদা। দূরে না গিয়ে উদাহরণ দিই – যারা জেন্টল টাচ ভালোবাসে আর যারা রাফ ছাড়া সেক্স দেখতে পারে না। ভালো সেক্সের কোনো ইউনিভার্সাল রেসিপি নেই। কিন্তু পাঁচটা টাইপের সেক্স আছে যা প্রত্যেক মেয়ে গোপনে স্বপ্ন দেখে। চলো শুরু করি...
রোমান্টিক সেক্স
মেয়েরা চায় সেক্সকে একটা মিস্টিরিয়াস রিচুয়ালের মতো ট্রিট করা হোক। তাই যেকোনো রিচুয়ালের প্রিলুড থাকবে – রোমান্টিক ডিনার, রেস্তোরাঁয় ঘুরতে যাওয়া, টেন্ডার ফিলিংসের কনফেশন। রোমান্টিক সেক্সে ফিলিংসের ব্যবহার। সাউন্ডস ক্লিশে লাগলেও প্রত্যেক মেয়ে এই অ্যাপ্রোচে খুশি হয়ে যায়। কারণ এতে মনে হয় – এটা শুধু সেক্স না, ভালোবাসার এক্সপ্রেশন।
হট সেক্স
হট কিস আছে বলে হট সেক্সও আছে – যেখানে আগুন কম নয়। মেয়েরা প্যাশনেট সেক্স ভালোবাসে, পর্ন চ্যাট দেখে কীভাবে ছেলেরা মাস্টারবেট করে – বিশেষ করে অপ্রত্যাশিত আর এক্সট্রিম প্লেসে। প্যাশনেট সেক্সে শার্প ইমোশনাল আউটবার্স্ট – যা তোকে পাগল করে দেয়। লিফট, গাড়ি, সিঁড়ি, অফিস – এসব নন-স্ট্যান্ডার্ড জায়গায় তোর প্যাশনেট সেক্সুয়াল ড্রিম ফুলফিল করা যায়। আর মেয়েরা তো এই থ্রিলের জন্যই পাগল।
হার্ড সেক্স
হার্ড সেক্স সবার জন্য না। কিন্তু প্রমাণিত যে গভীরে প্রত্যেক মেয়ে এটাই স্বপ্ন দেখে। ডিফারেন্স শুধু কতটা রাফনেস সহ্য করতে পারবে। প্লেয়ফুলি করাই বেস্ট – পার্টনারকে ভয় না পাইয়ে। রিয়্যাকশন দেখে সময়মতো থামা যায়। যেকোনো অ্যাক্টে পুরুষের প্রেশার থাকতে হবে। কিন্তু সবকিছুর সময় আছে। পার্টনারকে রিল্যাক্স করতে দে – সে নিজেই চাইবে।
অচেনার সঙ্গে সেক্স
মেইন রুল – অন্য কোথাও কখনো না মিলা। সহজেই বোঝা যায় – গভীরে সবাই জানে "সে এমন না"। ক্যাজুয়াল সেক্স হয় ভায়োলেন্ট পার্টি বা কর্পোরেট ইভেন্টের পর। একটা জরুরি রুল – কনট্রাসেপশন ব্যবহার করা।
খোলাখুলি বলা যায় না যে মেয়েরা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড চায়। কিন্তু নিশ্চিত যে সব মেয়ে চায় দারুণ চোদাচুদি করে অদৃশ্য হয়ে যেতে – যাতে ওই পার্টনারের সঙ্গে আর কখনো না দেখা হয়।
এক্সট্রিম, এক্সপেরিমেন্টাল আর এক্সটটিক সেক্স
সব কথা একই মানে। মানে – সেক্সের সময় কিছু অস্বাভাবিক হবে। যেমন এক্সট্রিম প্লেসে সেক্স – প্যারেন্টস রুমে তাদের আসার কয়েক মিনিট আগে, বা বিছানায় কয়েকজন মিলে এক্সপেরিমেন্ট।
এই টাইপের সেক্স রিয়েলাইজ করতে ন্যূনতম এসব লাগবে:
- নতুন জায়গা যা তোদের রিলেশনশিপকে রিফ্রেশ করবে
- নতুন ক্যারেক্টার যারা বোরিং সেক্সকে ডাইভার্সিফাই করবে
- সেক্স শপের অ্যাক্সেসরিজ, বিভিন্ন সেক্স টয়ের ব্যবহার
যে ছেলে তার পার্টনারকে স্যাটিসফাই করতে চায় – তাকে অন্তত মাঝেমধ্যে সব টাইপের সেক্স অলটারনেট করতে হবে। আর মেয়েরাও ভুলে যাবে না তার পার্টনারের স্যাটিসফ্যাকশনের কথা। কারণ ছেলেরাও আফেকশন আর কেয়ার চায়। তাই সেক্স তো শুধু শরীরের খেলা না – এটা মনেরও খেলা। প্রত্যেক মেয়ের স্বপ্নের সেক্স – যেখানে প্যাশন, রোমান্স, রাফনেস, অচেনা থ্রিল আর এক্সপেরিমেন্ট মিলেমিশে একাকার। আর তুই যদি এগুলো মিক্স করে দিতে পারিস – তাহলে তো মেয়েটা তোকে ছাড়বে না। কারণ সত্যি বলতে – এমন সেক্স তো স্বপ্নেই দেখা যায়, রিয়েল লাইফে পাওয়া যায় না সহজে। তাই চেষ্টা কর – দেখবি কীভাবে তোর পার্টনার তোকে গডের মতো দেখবে!