ক্রিপ্টোকারেন্সি এখন টাকাপয়সার দুনিয়ায় পুরোপুরি জমে গেছে – দাম লাফ দিয়ে উঠছে, পজিটিভ ট্রেন্ড ছাড়া কিছু নেই। আজকের ছেলেমেয়েরা সোনা-ডলার ছেড়ে বিটকয়েন বা অন্য ক্রিপ্টোতে টাকা রাখতে চায়। পেমেন্ট সুপার ফাস্ট, নিরাপদ – প্রায় পারফেক্ট। বেশিরভাগ দেশে ক্রিপ্টো লেনদেনে ট্যাক্স বা সুদের ঝামেলা নেই। তাই অনেক সাইট ক্লায়েন্টদের ক্রিপ্টো পেমেন্টের দরজা খুলে দিচ্ছে। আমাদের ইরোটিক ভিডিও চ্যাট পোর্টালও তো বাদ পড়বে না। গর্ব করে বলছি – বিটকয়েন আর কয়েকটা ক্রিপ্টো দিয়ে যেকোনো সার্ভিস কিনে নাও, ওয়েবক্যাম মডেলদের সঙ্গে যা ইচ্ছে তাই। বিটকয়েন দিয়ে পে করলে ব্যাঙ্কের ঝক্কি নেই, সোজা ওয়ালেট থেকে ওয়ালেট – মজাটা এখানেই!
আজই কয়েকজন এই নতুন অফারটা নিয়ে ফেলেছে। প্রথম ক্রিপ্টো পেমেন্টটা হয়েছে একটা জ্বালাময়ী ইরোটিক লাইভে – ব্রুনেট মেয়েটা তার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ৫ ঘণ্টা ধরে ওয়েবক্যাম পর্ন শো চালিয়েছে। আসলে দূরত্বের জন্য অনেকদিন ধরে চোদাচুদি হয়নি ওদের। ছেলেটা বিজনেস ট্রিপে, মেয়েটা স্কুল-কলেজ নিয়ে ডুবে। ব্রডকাস্ট শুরু হল ঠিক যখন বয়ফ্রেন্ড দরজায় কড়া নাড়ল। অনেকদিন পর মিলন, জোরে চুমু – প্রথমে রোমান্টিক লাগছিল। কিন্তু মেয়েটা একাই জানত যে এই কিউট সিনটা হাজারো দর্শকের চোখে! সন্ধ্যাটা শুরু হল সাধারণভাবে, কিন্তু পরে দর্শকরা তো শক খেয়ে গেল রে বাবা!
এক মাস অ্যাবস্টিনেন্সের পর প্যাশনেট সেক্স – বিটকয়েন পেমেন্টে পর্ন শো কিনল দর্শকরা
মেয়েটা চাইছিল সবার সামনে হার্ড চোদাচুদি করতে ইরোটিক ভিডিও চ্যাটে – সেনসেশন আরও বাড়াতে। ৩০ দিন ধরে সেক্স ছাড়া থাকার পর তার আইডিয়াটা ছিল একদম জবরদস্ত। এক গ্লাস ওয়াইন, প্রিয়জনের দেওয়া বুনো ফুলের গন্ধ – সব মিলিয়ে মেয়েটা প্লেজারের দুনিয়ায় হারিয়ে গেল। দর্শকদের সঙ্গে ছোট্ট চ্যাটের পর কাপলটা গ্রুপ চ্যাট অন করে দিল। তারপর কিউট মেয়েটা ছেলেটার প্যান্ট খুলে ধোনটা লোভে চুষতে লাগল – মুখে নিয়ে খেলছে, বেলগুলোতে খুব মন দিয়ে। অর্গ্যাজম পর্যন্ত নেওয়ার প্ল্যান ছিল না। ইতিমধ্যে এক ইউজার বিটকয়েন দিয়ে পে করে টোকেন ঢেলে দিয়েছে মেয়েটার অ্যাকাউন্টে – ক্রিপ্টো পেমেন্টের আসল মজা তো এই!
ছেলেটা তো পুরো গরম হয়ে গেল – এবার তো ইমোশন ছেড়ে লাইভ সেক্সে ঝাঁপানোর সময়! প্যাশনের ঝোঁকে কনডমের কথা মাথা থেকে উড়ে গেল। দুজনে খুলে বিছানায় শুয়ে পড়ল। হঠাৎ ফ্রি ব্রডকাস্টে সুইচ। ভীতু দর্শকদের স্ক্রিন ছেড়ে সরে যেতে বলা হল – কারণ ছেলেটা তার মেয়েকে পোঁদ মারতে লাগল এমন জোরে যে চারপাশ কাঁপছে! কিন্তু ছেলেটা ক্লান্ত হয়ে গতি কমাল, তখন মেয়েটা ক্লাসিক রাইডার পোজে চলে গেল। ব্রুনেটটা দারুণ কায়দায় তার প্রিয়তমের ওপর চড়ছে, চ্যাটের মেসেজ পড়তে পড়তে। এই মুহূর্তে সেক্স স্ট্রিমে বিটকয়েন খরচ করা সোজা – কে না করবে বলো? বিটকয়েন দিয়ে পে করলে তো আসল খেলা শুরু হয়ে যায়!
ক্লোজেটে গিফট – ইরোটিক চ্যাটের দর্শকদের অপ্রত্যাশিত সারপ্রাইজ
প্যাশনেট চোদাচুদির পর দুজনে দেখছে কীভাবে খুশি দর্শকরা একের পর এক বিটকয়েন পাঠাচ্ছে। শো শেষ হতে চলেছে, প্রেজেন্টাররা ব্যস্ততায় বেরোবে, ইরোটিক ব্রডকাস্ট বন্ধ করবে – হঠাৎ টয়লেট থেকে একটা ছেলে ছিটকে পড়ল মেঝেয়! দেখা গেল, ওরা চুদাচুদি করার সময় এই অচেনা ছেলে লুকিয়ে সব শুনছিল। মেয়ের বয়ফ্রেন্ড তো রেগে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল, মুখে চড় কষাল। ঝগড়া-চিৎকার চলল, আর শেষে জানা গেল – ছেলেটা আসলে ব্রুনেটের লাভার! আগের দিনই তো মেয়েটা তার লাভারের সঙ্গে দারুণ চোদাচুদি করেছে, কিন্তু বাইরে বের করে দিতে পারেনি।
স্ক্যান্ডাল, চিৎকার, কান্নাকাটি – এভাবেই শেষ হল এই ছিনাল কাপলের ওয়েবক্যাম স্ট্রিম। দুঃখের বিষয়, সম্ভবত এই সুইট পেয়ার আলাদা হয়ে যাবে, আর আমরা ওদের থেকে এমন জোরালো শো দেখব না। কিন্তু ভালো খবর – VibraGame-এর মডেলরা তো আরও উত্তেজক, আরও প্যাশনেট সেক্স স্টোরি দেখায়। আমাদের ওয়েবক্যাম মডেলরা জানে কীভাবে দর্শকদের রগে রগে আগুন ধরাতে হয় এই ইরোটিক ভিডিও চ্যাটে। বিটকয়েন দিয়ে পে করে ঢুকে পড়ো – ক্লোজেটে কী লুকিয়ে আছে কে জানে! হয়তো তোমার জন্যই কোনো হট সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে। চুষে খাওয়া, পোঁদ মারা, গ্রুপ চ্যাটে পুরো পাগলামি – মিস করলে পরে নিজেকে গালি দিবি। আর হ্যাঁ, পরের বার ক্রিপ্টো পেমেন্ট নিয়ে চ্যাটে ঢুকিস তো – দেখি কী কেলেঙ্কারি বেরোয়। এই তো আসল দুনিয়া, বিটকয়েন দিয়ে সেক্স চ্যাটের খেলা! ক্রিপ্টো দিয়ে পে করলে মজা দ্বিগুণ – কে না চাইবে এমন অ্যাডভেঞ্চার রে?